প্রবাসী ভারতীয়দের সুযোগ-সুবিধা (ফটো অ্যালবাম)

    প্রকাশিতঃ ১০ আগস্ট, ২০১৬ আপডেটঃ ৪:১১ অপরাহ্ণ

    গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে ভারতীয় ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ৷ অনেক আইনি জটিলতা সত্ত্বেও তাদের জন্য রয়েছে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা৷ তালিকায় নতুন কিছু পরিষেবাও যোগ হচ্ছে৷

    প্রবাসীদের তালিকার শীর্ষে ভারত

    জাতিসংঘের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ১.৬ কোটি ভারতীয় বিদেশে বসবাস করেন৷ বিশ্বের অন্য কোনো দেশের এত মানুষ দেশের বাইরে থাকেন না৷ জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ (ডিইএসএ) গোটা বিশ্বে অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি নিয়ে এই রিপোর্ট প্রকাশ করে৷

    আলাদা মন্ত্রণালয়

    ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ ওভারসিজ ইন্ডিয়ান অ্যাফেয়ার্স প্রবাসী ভারতীয়দের বিষয়গুলি দেখাশোনা করতো৷ বর্তমানে সেটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে এসেছে৷ প্রবাসী ভারতীয় দিবস ও সম্মেলন আয়োজন করা ছাড়াও অন্য অনেক ক্ষেত্রে সক্রিয় এই মন্ত্রণালয়৷ ভারতে আর্থিক বিনিয়োগ বাড়াতে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়৷

    ‘অনাবাসী’ ভারতীয়

    মূলত আয়কর আইনের আওতায় বিদেশে বসবাসরত সেই সব ভারতীয় নাগরিকদের ‘অনাবাসী’ বা নন-রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ান (এনআরআই) বলা হয়, যারা বছরে কমপক্ষে ১৮২ দিন বিদেশে থাকেন৷ কর ছাড়াও তারা অন্য কিছু ক্ষেত্রেও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন৷

    ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের পরিচয়পত্র

    যে সব ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাঁদের জন্য রয়েছে ‘ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া’ বা ওসিআই সার্টিফিকেট৷ দ্বৈত নাগরিকত্বের স্বীকৃতি না হলেও এমন সার্টিফিকেট থাকলে ভারতীয় নাগরিকদের অনেক অধিকার ভোগ করা যায়৷ তবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে অতীত সম্পর্ক থাকলে ওসিআই পাওয়া যায় না৷

    ওসিআই হলে সুবিধা

    ওসিআই থাকলে আজীবন ভারতে যাতায়াত, সেখানে বসবাস ও কাজকর্ম করা, জমি-বাড়ি কেনাবেচার মতো অনেক সুবিধা ভোগ করা যায়৷ তবে কৃষিজমি কেনা যায় না, ভোট দেওয়া বা ভোটে দাঁড়ানোও সম্ভব নয়৷

    বিশেষ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

    এনআরআই বা ওসিআই মর্যাদা থাকলে ভারতের ব্যাংকে টাকা রাখার ক্ষেত্রেও কর সংক্রান্ত বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করা যায়৷ সরাসরি বিদেশি মুদ্রা জমা দেওয়া ও প্রয়োজনে তুলে নেওয়ার বাড়তি সুবিধাও রয়েছে৷

    প্রবাসে ভোট দেবার সুযোগ

    এনআরই বা অনাবাসী ভারতীয়রা শীঘ্রই বিদেশ থেকেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে৷ ইলেকট্রনিক ভোটিং অথবা ভারতে কোনো মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সম্ভব হবে বলে নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিয়েছে৷